জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রতিষ্ঠার ৬ দশক পর এ প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় আইন করতে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের একাডেমির মূল কাজে সম্পৃক্ত করার জন্য নতুন আইন করা হচ্ছে। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বিল-২০২৪’ উপস্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে এ বিলের ওপর আনা জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করা হয়। ১৯৬১ সালের একটি অধ্যাদেশের আওতায় ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রতিষ্ঠিত হয়। এখন এ প্রতিষ্ঠানকে নতুন আইনের অধীনে আনা হচ্ছে। বিলটি পাসের সময় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্য গভর্নমেন্ট এডুকেশনাল অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউশন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ অনুযায়ী বাংলাদেশে কয়েকটি প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হতো। কিন্তু বর্তমানে ওই প্রতিষ্ঠানগুলো যুগোপযোগী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক আইন প্রণয়ন করেছে। যেমন-জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত আইন। উল্লিখিত অর্ডিন্যান্সে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গঠিত ১৪ সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড অব গভর্নরস সরকারের পূর্বানুমতি ক্রমে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি, ময়মনসিংহ; রেজুলেশন ২০০৪ নামে একটি রেজুলেশন প্রণয়ন করে এবং রেজুলিউশনের প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী বর্তমানে নেপ পরিচালিত হচ্ছে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা একান্ত প্রয়োজন বিধায় নেপের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা সমীচীন। নেপ-এর আইন বা বিধি না থাকার কারণে শূন্যপদে জনবল নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/সংস্থা/প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন কর্মকর্তাগণ প্রেষণে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে একাডেমিতে যোগদান করলেও অধিকাংশ কর্মকর্তার গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কাজের অভিজ্ঞতা না থাকায় তাদের একাডেমির মূল কাজে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে নতুন আইন করা হচ্ছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

সংসদে প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বিল পাস
- আপলোড সময় : ০৪-০৭-২০২৪ ১২:১২:৫০ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৪-০৭-২০২৪ ১২:১২:৫০ পূর্বাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ